কসম কাটা কি জায়েজ - কসম কাটার নিয়ম

কসম কাটা কি জায়েজ বা কসম কাটার নিয়ম কসম কাটার হাদিস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। কসম কিভাবে কাটলে কোনো সমস্যা হয়না।
কসম কাটা কি জায়েজ

আস-সালামু আলাইকুম! আশা করি আল্লাহ এর অশেষ রহমতে আপনি ভালো আছেন! আজকে আমরা আলোচনা করবো, কসম কাটা কি জায়েজ বা কসম কাটার নিয়ম কি?

আমরা বিভিন্ন কারনে বিভিন্ন সময়ে কসম কাটি যদি তার মাধ্যমে আমরা গুনাগার হই। তা আমাদের আমলের ক্ষেত্রে অনেক ক্ষতি হবে। তাই আমরা জানবো কসম কাটা জায়েজ কিনা, বা কিভাবে কসম কাটতে হয়।

কসম কাটা কি জায়েজ

সত্য জানা সত্বেও মিথ্য কসম খাওয়া কবীরা গুনাহ। আপনি জানেন যে এইটা ঠিক না তবুও আপনি কসম কেটে বসলেন যে এইটা আমি জানি অথবা এইটা সত্য। 
এমন করলে আপনার কবীরা গুনাহ এর ভাগিদার হয়ে যাবেন। কারন মিথ্যা কসম খাওয়া কবীরা গুনাহ।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- কবীরা গুনাহসমূহ হচ্ছে, আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা। পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া, কাউকে (অন্যায়ভাবে) হত্যা করা এবং মিথ্যা কসম খাওয়া। (সহীহ বুখারী, হাদীস ৬৬৭৫)


যে কোনো ভাবেই কসম কাটলে কসম হয়ে যাবে তা ভঙ্গ করতে কাফফারা আদায় করতে হবে।


কোনো কারন ছাড়া কথায় কথায় কমস কাটা অবশ্যই অনুচিৎ।  আর যদি কঠিন কোনো পরিস্থিতে কসম কাটতেই হয় তবে শুধু আল্লাহ এর নামেই কসম কাটতে হবে।
অন্য যেকোনো কিছুর কসম কাটা কোনো জায়েজ নাই।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- জেনে রাখ, আল্লাহ তোমাদের নিজের পিতার নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন। যদি কসম করতেই হয় তবে যেন আল্লাহর নামেই কসম করে। নতুবা চুপ করে থাকে। (সহীহ বুখারী, হাদীস ৬৬৪৬)

মারকাযুদ দাওয়াহ আল-ইসলামিয়া ঢাকা থেকে তথ্য নেওয়া।

 আশা করি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন, এখানে প্রকাশিত কোনো লেখায় যদি ভুল পরিলক্ষিত হয় তবে ইসলাম প্রচারের স্বার্থে কমেন্টের মাধ্যমে জানিয়ে দিন, আমরা অবশ্যই তা ঠিক করবো।ইনশাআল্লাহ!